কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়-ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে
কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়-ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে তা জানতে চান তাহলে এই পোস্ট টি বিস্তারিত পড়ুন কেননা এখানে রয়েছে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।
আর আপনি কি ইন্টারনেট স্পিড কমে যাওয়ার কারণ সম্পর্কেও জানতে চান তাহলে সেটাও আপনি এই পোস্ট টি পড়ার মাধ্যমে খুব সহজেই জেনে নিতে পারবেন তাহলে চলুন জেনে নিই এই সম্পর্কে।
পোস্টের সূচিপত্র:- কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়-ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে
- কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়-ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে
- নেট স্লো হলে করণীয় কী তা জানুন
- ইন্টারনেট স্পিড কমে যাওয়ার কারণ
- মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম
- ওয়াইফাই স্পিড কত হলে ভালো
- আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট স্পিড চেক
- লেখকের শেষ মন্তব্য:- কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়-ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে
কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়-ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে
কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়-ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে? ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করার এবং ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। নিচে কিছু জনপ্রিয় পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো:অনলাইন স্পিড টেস্ট ওয়েবসাইটে চাইলে আপনি ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। খুব সহজেই আপনার ইন্টারনেট স্পিড এর গতি জেনে নিতে পারবেন। অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার ইন্টারনেট স্পিড পরীক্ষা করতে পারবেন। এর মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো:
- Speedtest by Ookla
- Fast.com
- Google speed test
এই ওয়েবসাইটগুলোতে গিয়ে গো বা start বাটনে ক্লিক করে আপনি আপনার ডাউনলোড স্পিড, আপলোড স্পিড এবং ping দেখতে পারবেন। অ্যাপ ব্যবহার করে: স্মার্টফোনে ইন্টারনেট স্পিড মাপার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ পাওয়া যায় ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণের জন্য। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে এই অ্যাপগুলো ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যেতে পারে। কম্পিউটারে কম্যান্ড প্রম্পট ব্যবহার করেও ইন্টারনেট স্পিড পরীক্ষা করা যায়।
নেট স্লো হলে করণীয় কী তা জানুন
নেট স্লো হলে করণীয় কী তা জানুন। ইন্টারনেট স্পিড কমে গেলে বা নেট স্লো হয়ে গেলে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন। নিচে সেগুলো আলোচনা করা হলো:
১. রাউটার রিস্টার্ট করুন:
আপনার রাউটারটি বন্ধ করে ১০-২০ মিনিট রাখুন এর পর আবার চালু করুন। অনেক সময় রাউটার বেশি সময় ধরে চলতে থাকলে বা গরম হয়ে গেলে নেট স্লো হয়ে যায়। রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষন পর আবার চালু করলে রাউটারের সিস্টেম রিফ্রেশ হয়ে যায় এবং নেটের স্পিড আগের চেয়ে বেড়ে যায়।
আরো পড়ুন:- জন্মাষ্টমী ২০২৫- Krishna Janmashtami 2025
২. রাউটার এবং ডিভাইসের মধ্যে দূরত্ব কমান:
রাউটার থেকে আপনার ডিভাইসটি যদি অনেক দূরে থাকে তাহলে ওয়াইফাইয়ের সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যায়। ফলে নেট স্পিড কমে যায় আবার অনেক সময় সিগনাল পাওয়া যায় নি ঠিক ভাবে। তাই রাউটার এবং ডিভাইসের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনুন। আপনার রাউটারটিকে উঁচু জায়গায় রাখার চেষ্টা করুন।
৩. রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট করুন: অনেক সময় রাউটারের পুরনো ফার্মওয়্যারের কারণেও নেট স্লো হতে পারে। রাউটারের সেটিংস-এ গিয়ে ফার্মওয়্যার আপডেট করুন।
আরো পড়ুন:- খালি পেটে খেজুর খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে জানুন
৪. ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করুন: আপনার ডিভাইসে যদি ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেক অ্যাপ চলতে থাকে তাহলে নেট স্পিড কমে যেতে পারে। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ গুলো বন্ধ করে দিন তাহলে ইন্টারনেট স্পিড বেশি হয়ে যাবে।
ইন্টারনেট স্পিড কমে যাওয়ার কারণ কি
ইন্টারনেট স্পিড কমে যাওয়ার কারণ কি? ইন্টারনেট স্পিড কমে যাওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। নিচে কয়েকটি প্রধান কারণ উল্লেখ করা হলো: পুরানো বা ত্রুটিপূর্ণ রাউটার ইন্টারনেট স্পিড কমিয়ে দিতে পারে। রাউটারের অবস্থান যদি ভালো না হয়, অর্থাৎ দেয়ালের আড়ালে বা অনেক দূরে থাকে, তাহলে ওয়াইফাই সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যায়। রাউটারের ফার্মওয়্যারের সমস্যা। পুরানো বা ত্রুটিপূর্ণ ডিভাইস ইন্টারনেট স্পিড কমিয়ে দিতে পারে। ডিভাইসে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস থাকলে ইন্টারনেট স্পিড কমে যায়। ডিভাইসের ক্যাশ মেমোরি বেশি হয়ে গেলে ইন্টারনেট স্পিড কমে যায়।
ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীর (ISP) সমস্যা: ISP-এর নেটওয়ার্কে সমস্যা থাকলে ইন্টারনেট স্পিড কমে যেতে পারে। অনেক ব্যবহারকারী একই সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে নেটওয়ার্কের উপর চাপ পড়ে এবং স্পিড কমে যায়। ISP যদি ব্যান্ডউইথ থ্রোটলিং করে তাহলেও ইন্টারনেট স্পিড কমে যায়। নেটওয়ার্কের তারে সমস্যা থাকলে ইন্টারনেট স্পিড কমে যেতে পারে। নেটওয়ার্কের জ্যামিং-এর কারণেও ইন্টারনেট স্পিড কমে যায়।
মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম
মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বেশী করার নিয়ম মোবাইলে ইন্টারনেট স্পীড বাড়ানোর কিছু কার্যকর উপায় নিচে দেওয়া হলো:
আপনার ফোন যদি ৪জি বা ৫জি নেটওয়ার্ক সমর্থন করে, তাহলে সেটিংস-এ গিয়ে নেটওয়ার্ক মোড পরিবর্তন করুন। অনেক সময় ফোন 2G বা 3G মোডে থাকলে স্পীড কমে যায়। ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেক অ্যাপ চলতে থাকলে ইন্টারনেট স্পীড কমে যায়। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো বন্ধ করে দিন। ব্রাউজারের ক্যাশে মেমোরি বেশি হয়ে গেলে ইন্টারনেট স্পীড কমে যায়। ফোনের সেটিংস-এ গিয়ে ক্যাশে ক্লিয়ার করুন।
অনেক ওয়েবসাইটে অপ্রয়োজনীয় বিজ্ঞাপন থাকে, যা ইন্টারনেট স্পীড কমিয়ে দেয়। অ্যাড ব্লকার ব্যবহার করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ফোনের সফটওয়্যার আপডেট করলে ইন্টারনেট স্পীড বাড়তে পারে। ওয়াইফাই ব্যবহার করলে রাউটারের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করুন। দূরত্ব বেশি হলে স্পীড কমে যায়। ভিপিএন ব্যবহার করলে ইন্টারনেট স্পীড কমে যেতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ভিপিএন ব্যবহার না করাই ভালো।
ওয়াইফাই স্পিড কত হলে ভালো
ওয়াইফাই স্পিড কত হলে ভালো- ওয়াইফাই স্পিড কত হলে ভালো, তা নির্ভর করে আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারের ধরনের ওপর। নিচে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় ওয়াইফাই স্পিড সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
- সাধারণ ব্যবহার (ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেল, সোশ্যাল মিডিয়া):
- এই ধরনের ব্যবহারের জন্য ১১-২২ এমবিপিএস স্পিড যথেষ্ট।
- এইচডি ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্য ২০ এমবিপিএস স্পিড ভালো।
- ৪কে ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্য ৫৫ এমবিপিএস বা তার বেশি স্পিড প্রয়োজন।
- অনলাইন গেমিংয়ের জন্য ২৬ এমবিপিএস বা তার বেশি স্পিড প্রয়োজন, তবে স্থিতিশীল সংযোগ এবং কম ল্যাটেন্সি (পিং) গুরুত্বপূর্ণ।
- বড় ফাইল ডাউনলোড বা আপলোডের জন্য ১০০+ এমবিপিএস বেশি স্পিড প্রয়োজন।
আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট স্পিড চেক
আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট স্পিড চেক- অনলাইন স্পিড টেস্ট ওয়েবসাইট ব্যবহার: আপনার মোবাইল ফোনের যেকোনো ব্রাউজার থেকে speedtest.net অথবা fast.com এই ওয়েবসাইটগুলোতে গিয়ে খুব সহজেই আপনার ইন্টারনেট স্পিড পরীক্ষা করতে পারবেন। এই ওয়েবসাইটগুলো আপনাকে আপনার ডাউনলোড স্পিড, আপলোড স্পিড এবং ping এর পরিমাণ দেখাবে।
গুগল প্লে স্টোর অথবা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে "Speedtest by Ookla" এর মতো বিভিন্ন স্পিড টেস্ট অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপগুলি আপনাকে ইন্টারনেট স্পিড মাপার পাশাপাশি স্পিডের ইতিহাসও সংরক্ষণ করে। কিছু কিছু স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন ইন্টারনেট স্পিড মিটার থাকে। আপনার ফোনের সেটিংস-এ গিয়ে নেটওয়ার্ক সেটিংস-এর মধ্যে স্পিড মিটার খুঁজে দেখতে পারেন।
লেখকের শেষ মন্তব্য:- কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়-ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে
লেখকের শেষ মন্তব্য:- কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়-ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে? আশা করি "কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড পর্যবেক্ষণ করা যায়- ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে "পোস্টটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়েছেন এরকম পোস্ট আপনি যদি আরো পেতে চান তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ফলো করে রাখতে পারেন কেননা এরকম পোস্ট এখানে আরো আছে তাই আপনি যদি চান তাহলে সেগুলো পড়তে পারেন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url